শিরোনাম :
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে যুবক নিহতের পর বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, কী বললেন তিনি ১৬ মার্চ সারাদেশে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে’ প্রকল্প দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী। চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়ায় আত তানজিল মডেল মাদ্রাসায় রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠিত নোয়াখালী-০৪ নারী আসনে এগিয়ে স্বেচ্চারসেবক দল নেত্রী: আইনজীবী শাহীনুর বেগম। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের পছন্দ আনোয়ার হোসেন রকি।

নোয়াখালী বালু উত্তোলনের দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তার কারাদণ্ড

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৫
  • 202 পাঠক

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নে ছোট ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এলজিইডির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের দুই কর্মকর্তাকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ফরহাদ শামীম এ আদালত পরিচালনা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— এলজিইডির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর নবী (৩৮) ও সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল (৩২)।

ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের অভিযান
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরহাজারী ইউনিয়নের তেল্লারঘাট থেকে দনিপাড়া কানেক্টিং ব্রিজের নির্মাণকাজে ব্যবহারের জন্য ড্রেজার মেশিন দিয়ে ছোট ফেনী নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ইউএনও তাদের হাতেনাতে আটক করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত প্রায় ১.৫ কিলোমিটার পাইপ ধ্বংস করা হয় এবং ১টি ইঞ্জিন জব্দ করা হয়।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ফরহাদ শামীম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সরকারি অনুমতি ছাড়া কেউ বালু উত্তোলন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন কাজের নামে কেউ আইন লঙ্ঘন করলে তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না।

অভিযানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য, কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহায়তা করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *