দীপ্ত নোয়াখালী
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৬ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা; জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার, তদন্তে প্রমাণিত হলে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:২৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 292

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জেলা জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করার পর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়।

নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ ওঠে, নুরুল্লাহ যে মাদ্রাসায় চাকরি করেন সেখানে তিনি এক শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটি আবার ডিলিট করা হয়।

অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

জানতে চাইলে হাফেজ নুরুল্লাহ বলেন, আমি যে মাদ্রাসায় চাকরি করি ওই মাদরাসার মালিকের সঙ্গে স্থানীয়দের মামলা চলে। ওই মামলার জেরে গত ২৮ তারিখ রাতে আমাকে তারা জোর করে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তারা আমার এটিএম কার্ড নিয়ে রাতেই ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও সাড়ে ১১ হাজার টাকা মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়।

তিনি আরও

Tag :

চাটখিল উপজেলার সৌরভ ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহ স্কুল বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা; জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার, তদন্তে প্রমাণিত হলে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে

আপডেট: ০১:২৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ নুরুল্লাহকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জেলা জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তদন্ত করার পর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়।

নুরুল্লাহ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযোগ ওঠে, নুরুল্লাহ যে মাদ্রাসায় চাকরি করেন সেখানে তিনি এক শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর স্বজনরা তাকে মারধর করেন। সেখানে জবানবন্দির কিছু অংশ একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিও আকারে প্রকাশ হলে তা দ্রুত সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটি আবার ডিলিট করা হয়।

অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নুরুল্লাহকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।

জানতে চাইলে হাফেজ নুরুল্লাহ বলেন, আমি যে মাদ্রাসায় চাকরি করি ওই মাদরাসার মালিকের সঙ্গে স্থানীয়দের মামলা চলে। ওই মামলার জেরে গত ২৮ তারিখ রাতে আমাকে তারা জোর করে একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তারা আমার এটিএম কার্ড নিয়ে রাতেই ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরে বিকাশের মাধ্যমে আরও সাড়ে ১১ হাজার টাকা মোট ৪১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়।

তিনি আরও