নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিক কে কুপিয়ে হত্যা,গ্রেফতার তিন আসামী

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২০
  • 191 পাঠক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গত ১১ অক্টোবর রোববার রাত ৮টার দিকে ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে বন্দর উপজেলার আদমপুর এলাকায় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক ইলিয়াছকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জিএম মোস্তাফা মৃত ঘোষণা করেন।
নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিক ইলিয়াছকে (৪৮) ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে গত ১২ অক্টোবর সোমবার সকালে নিহত সাংবাদিক ইলিয়াছের স্ত্রী জুলেখা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামি তুষার সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত ইলিয়াছ বন্দর উপজেলার সাবদী জিওধরা এলাকার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি স্থানীয় দৈনিক বিজয় পত্রিকার বন্দর প্রতিনিধি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বন্দর উপজেলার কলাগায়িয়া ইউনিয়নের আদমপুর এলাকার মৃত জামান মিয়ার ছেলে তুষার (২৮) একই এলাকা মিসির আলী (৫৩) ও মিন্নত আলী মিনা (৬০)। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মৃত জামান মিয়ার ছেলে তুর্জ (২৫), নুরুল মিয়ার ছেলে মাসুদ (৩৫), আবদুল বাতেনের ছেলে সাগর (২৬), মৃত ফালান মিয়ার ছেলে পাভেল (২৫) ও হজরত আলী (৫০)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মৃত জামান মিয়ার দুই ছেলে তুষার ও তুর্জয়ের অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও মাদক ব্যবসা নিয়ে ইলিয়াস পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে। স্থানীয়ভাবে তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধও ছিল। প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে ইলিয়াসকে হুমকি দিয়েছিলেন তুষার। এদিকে ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল বের করে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। এলাকাবাসী তুষারকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বন্দর থানার মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আজগর হোসেন জানান, সাংবাদিক ইলিয়াছ হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী জুলেখা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার প্রধান আসামি তুষার সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *