শিরোনাম :
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে যুবক নিহতের পর বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, কী বললেন তিনি ১৬ মার্চ সারাদেশে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে’ প্রকল্প দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী। চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়ায় আত তানজিল মডেল মাদ্রাসায় রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠিত নোয়াখালী-০৪ নারী আসনে এগিয়ে স্বেচ্চারসেবক দল নেত্রী: আইনজীবী শাহীনুর বেগম। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের পছন্দ আনোয়ার হোসেন রকি।

‘সারজিস-হাসনাতকে ১০০ বার ফোন দিলেও রিসিভ করে না’

  • আপডেট সময় : বুধবার, জুলাই ২, ২০২৫
  • 258 পাঠক

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহদের ১০০ বার ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেন না বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনে শহিদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের পরিবারের খোঁজ কেউ নেয়নি।

মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি এসব অভিযোগ করেন। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় বিমানবন্দর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আবদুল্লাহ।

ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের বয়স ছিল ১৭ বছর, ছোট ছেলের ১৪ বছর। আমার বড় ছেলে মারা যাওয়ার ১৪ দিনের মাথায় ছোট ছেলের ক্যানসার ধরা পড়ে। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ১৮ মে আমার স্বামী ব্রেন স্ট্রোকে মারা যান। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ থেকে আমার ছোট ছেলের খোঁজখবর নিয়েছে এবং তার চিকিৎসার খরচ দিয়েছে।
আগামী শুক্রবার ছোট ছেলের আরেকটা অপারেশন হবে। আমার শেষ অবলম্বনটুকু যেন আমার কাছে থাকে এজন্য সবাই দোয়া করবেন।

তিনি আরও বলেন, এই উপদেষ্টা পরিষদ ও অন্তর্বর্তী সরকার আজ পর্যন্ত আমাদের খোঁজ নিতে পারেনি। আমার ছেলের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতা পেল, তারা একবারও আমাদের খোঁজ নিলো না। এমনকি সারজিস-হাসনাতকে আমরা ১০০টা ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেন না।

আমরা বিএনপি পরিবার আজ আমাদের সঙ্গে না থাকলে আমাদের আজ রাস্তায় নামতে হতো। আমার ছোট ছেলেও আজ দুনিয়ায় থাকতো না, যোগ করেন ফাতেমা তুজ জোহরা।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এতে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারগুলোর জন্য সম্মানসূচক আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *