শিরোনাম :
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে যুবক নিহতের পর বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, কী বললেন তিনি ১৬ মার্চ সারাদেশে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে’ প্রকল্প দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী। চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়ায় আত তানজিল মডেল মাদ্রাসায় রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠিত নোয়াখালী-০৪ নারী আসনে এগিয়ে স্বেচ্চারসেবক দল নেত্রী: আইনজীবী শাহীনুর বেগম। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের পছন্দ আনোয়ার হোসেন রকি।

ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জেলেনস্কিকে পদত্যাগ করতে বললেন মাস্ক

  • আপডেট সময় : বুধবার, মার্চ ৫, ২০২৫
  • 251 পাঠক

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ী ও মার্কিন সরকারের দক্ষতা বিভাগের প্রধান ইলন মাস্ক ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

ইলন মাস্ক তার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা এক স্ট্যাটাসে জেলেনস্কিকে এই পরামর্শ দিয়েছেন। খবর তাসের।

এতে মাস্ক আরও বলেন, ইউক্রেনে গণতন্ত্র এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে একটি নিরপেক্ষ দেশে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া উচিৎ জেলেনস্কির।

জেলেনস্কির স্বৈরাচারী আচরণের জন্য ইউক্রেনসহ গোটা বিশ্বের মানুষ কষ্টে আছে বলে উল্লেখ করেন ইলন মাস্ক।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকে বসেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বৈঠকের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। ওই বৈঠক শেষে দুই প্রেসিডেন্টের যৌথ সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়।

তা ছাড়া ইউক্রেনের বিরল খনিজ পদার্থ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। এই বৈঠকের পর ওই ঘটনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ক্ষমা চাইতে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

তবে, জেলেনস্কি তখন ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বিনিময়ের জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেছিলেন, আমি মনে করি ট্রাম্পেরই আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

জেলেনস্কি তখন বলেছেন, আমি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সম্মান করি, আমি আমেরিকান জনগণকে সম্মান করি। আমি মনে করি, আমাদের খুব খোলামেলা এবং খুব সৎ হতে হবে।

এরপর গত সোমবার ইউক্রেনকে সব ধরনের সামরিক সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই সুর নরম হতে থাকে জেলেনস্কির।

এখন তিনি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেন যেকোনো সময় এবং যেকোনো শর্তে নিরাপত্তা ও খনিজ চুক্তি করতেও রাজি আছে। মূলত ট্রাম্পের ধমকের পরই ভোল পাল্টান জেলেনস্কি।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *