শিরোনাম :
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে যুবক নিহতের পর বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, কী বললেন তিনি ১৬ মার্চ সারাদেশে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে’ প্রকল্প দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী। চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়ায় আত তানজিল মডেল মাদ্রাসায় রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠিত নোয়াখালী-০৪ নারী আসনে এগিয়ে স্বেচ্চারসেবক দল নেত্রী: আইনজীবী শাহীনুর বেগম। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের পছন্দ আনোয়ার হোসেন রকি।

নিরাপত্তাহীনতায় কক্সবাজারে বিদেশি পর্যটক কম

  • আপডেট সময় : রবিবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৫
  • 276 পাঠক

পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল কক্সবাজার জেলার অর্থনীতিতে বিদেশি পর্যটকের উপস্থিতি আশানুরূপ নয়। জরিপ বলছে, এর অন্যতম কারণ নিরাপত্তার ঘাটতি।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকায় আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় ‘কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স, ঢাকা (সিসিএডি)’ পরিচালিত জরিপে জানানো হয়, ৮৮.১% অংশগ্রহণকারী মনে করেন কক্সবাজারে পর্যটক নিরাপত্তা দুর্বল।

‘কক্সবাজারের উন্নয়ন যাত্রার জোয়ারভাটা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষিত’ শীর্ষক এ আলোচনায় উঠে আসে, ৮৬.৬% অংশগ্রহণকারী জেলার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় পর্যটন ও সৈকত ব্যবস্থাপনাকে।

জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশই স্থানীয় বা কক্সবাজারে কর্মরত। তাদের মধ্যে ৫৩.৭% আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন জরুরি মনে করেন। ৮৪.৩% বলছেন, রোহিঙ্গা সংকট ও নিরাপত্তা সবচেয়ে জরুরি সমাধানের বিষয়।

রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় অপরাধ বেড়েছে বলে মনে করেন ৫৭.৫%। অপরদিকে, প্রশাসনের তৎপরতা বেড়েছে বলে মনে করেন ১০.৪%।

পরিবেশগত দিক বিবেচনায় অংশগ্রহণকারীদের ৫৯.৭% বলেন, বালিয়াড়ি ও পাহাড় দখলমুক্ত করা জরুরি। যানজট নিয়ন্ত্রণ চায় ৪৯.৩%, জলাশয় রক্ষা ৪৩.৩% এবং পর্যটন কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ চান ৪১.৮%।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৬৭.২% মনে করেন, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মসংস্থান বেড়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়েছে বলছেন ৫২.২%। তবে ৮৪.৩% মনে করেন, প্রকল্পটির কারণে পরিবেশে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। জীববৈচিত্র্য হ্রাস, মৎস্য উৎপাদন কমা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ আছে।

সিসিএডির প্রধান সমন্বয়ক মোহিব্বুল মোক্তাদির তানিমের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কক্সবাজার হবে দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। বঙ্গোপসাগরের খনিজ আহরণে প্রযুক্তি গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

বিএনপি নেতা শহীদুজ্জামান বলেন, কেবল পর্যটনে মনোযোগ না দিয়ে সমুদ্র সম্পদ ও ভূরাজনীতিক গুরুত্বের দিকেও নজর দেওয়া উচিত।

বুয়েটের অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো সমুদ্র থেকে খনিজ আহরণ করছে, অথচ বাংলাদেশ এ বিষয়ে পিছিয়ে।

গোলটেবিলে আরও বক্তব্য দেন—কোস্ট ফাউন্ডেশনের রেজাউল করিম চৌধুরী, অধ্যাপক আশফাক হোসেন, সাবেক সচিব মাফরুহা সুলতানা, সংগঠক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *