শিরোনাম :
ঝিনাইদহে তেল পাম্পে যুবক নিহতের পর বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, কী বললেন তিনি ১৬ মার্চ সারাদেশে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে’ প্রকল্প দেখতে নোয়াখালী যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী। চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়ায় আত তানজিল মডেল মাদ্রাসায় রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠিত নোয়াখালী-০৪ নারী আসনে এগিয়ে স্বেচ্চারসেবক দল নেত্রী: আইনজীবী শাহীনুর বেগম। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের পছন্দ আনোয়ার হোসেন রকি।

জোবায়েদ হত্যা; বর্ষা-মাহির চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনা জানাল পুলিশ

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, অক্টোবর ২১, ২০২৫
  • 143 পাঠক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ছাত্রী বর্ষা ও মাহির রহমান। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে তারা এই পরিকল্পনা করেন। হত্যার দিনে মাহিরের সঙ্গে আরও দুই বন্ধু ছিল। হত্যার জন্য তারা নতুন দুটি সুইচ গিয়ার কেনে। এলোপাতাড়ি ছুরি চালায় মাহির। মাহিরকে হত্যার নির্দেশ দেয় বর্ষা।

আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এটি বর্ষা ও মাহিরের পরিকল্পিত হত্যা। বর্ষার সঙ্গে মাহিরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝে বর্ষা জোবায়েদের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। এসময় বর্ষা মাহিরকে ‘না’ বলে দেয় এবং জানায় যে সে জোবায়েদকে পছন্দ করে। কিন্তু কিছুদিন পরই সে মাহিরকে জানায়, জোবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখনই জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করে বর্ষা ও মাহির।

ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে জোবায়েদ হত্যার পরিকল্পনা স্বীকার করেনি বর্ষা। পরবর্তীতে মাহির ও বর্ষাকে মুখোমুখি করলে তারা সবকিছু স্বীকার করে। জোবায়েদকে কীভাবে সরিয়ে দেওয়া যায়—তা নিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিকল্পনা করছিল তারা। এখন পর্যন্ত বর্ষাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।

আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এটি বর্ষা ও মাহিরের পরিকল্পিত হত্যা। বর্ষার সঙ্গে মাহিরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝে বর্ষা জোবায়েদের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। এসময় বর্ষা মাহিরকে ‘না’ বলে দেয় এবং জানায় যে সে জোবায়েদকে পছন্দ করে। কিন্তু কিছুদিন পরই সে মাহিরকে জানায়, জোবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখনই জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করে বর্ষা ও মাহির।

ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে জোবায়েদ হত্যার পরিকল্পনা স্বীকার করেনি বর্ষা। পরবর্তীতে মাহির ও বর্ষাকে মুখোমুখি করলে তারা সবকিছু স্বীকার করে। জোবায়েদকে কীভাবে সরিয়ে দেওয়া যায়—তা নিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিকল্পনা করছিল তারা। এখন পর্যন্ত বর্ষাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।

রোববার আনুমানিক বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে ছাত্রীটির বাসার তিনতলায় উঠতে সিঁড়িতে তিনি খুন হন। বাসার নিচতলার সিঁড়ি থেকে তিনতলা পর্যন্ত রক্তের দাগ পাওয়া যায়। তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় তার মরদেহ।

পরবর্তীতে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বংশাল থানার সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি তারা তাতীবাজার মোড় অবরোধ করে রাখেন। রোববার রাত ১১টার দিকে ছাত্রী বর্ষাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে পুলিশ প্রটোকলে গাড়িতে করে থানায় নেয়া হয়। গতকাল জোবায়েদকে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *