শিরোনাম :
আমরা কখনই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনি: মির্জা ফখরুল আমিরাত, বাহরাইন ও কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ইরানের সরকার পতনে ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণা চাটখিলে কোন অটো রিক্সা ভ্যান গাড়ি থেকে চাঁদা নেওয়া যাবে না সোনাইমুড়ীতে এমপি ব্যারিস্টার খোকনের কঠোর হুঁশিয়ারি, চাঁদাবাজি ও সালিশ বাণিজ্য চলবে না, মাটি খেকোদের ছাড় হবে না। পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০ শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোটের ফলাফলে বড় পরিবর্তনের পর সংশোধিত গেজেট প্রকাশ আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ শিল্প-সংস্কৃতির রাজনীতিকরণ সভ্য দেশের পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের সরকার পতনে ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
  • 34 পাঠক

ইরানের সরকার পতনে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছে এবং পরিস্থিতি এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দিকে মোড় নিয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানসহ ইরানের পাঁচটি প্রধান শহরে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক ভয়ংকর ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় জানিয়েছেন, ইরানকে দমাতে এবং তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র এখন বড় ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হতে যাচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বার্তায় সরাসরি যুদ্ধের পরিকল্পনা তুলে ধরে লিখেছেন, ‘আমরা তাদের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে যাচ্ছি এবং তাদের পুরো ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে যাচ্ছি। শুধু তাই নয়, আমরা নিশ্চিতভাবেই ইরানের নৌবাহিনীকেও চিরতরে ধ্বংস করে দেব।’

ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার অঙ্গীকার করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে যাচ্ছি যে এই অঞ্চলের সন্ত্রাসী প্রতিনিধিরা আর এই অঞ্চল বা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না। আমরা যেকোনো মূল্যে নিশ্চিত করব যে ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। এটি একটি অত্যন্ত সহজ ও পরিষ্কার বার্তা—তাদের কাছে আর কখনও পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।’

ইরান সরকারকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প আরও কড়া ভাষায় সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘এই সরকার খুব শিগগিরই বুঝতে পারবে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর অপরাজেয় শক্তি এবং সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করা কারও উচিত নয়।’

এর আগে গত ২২শে জুন আমেরিকার যুদ্ধবিমান ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছিল। বিশেষ করে পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করাই ছিল মিত্রশক্তির মূল লক্ষ্য।

আমেরিকা ওই হামলা চালানোর আগে ১৩ই জুন ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল।

ইসরায়েল তখন দাবি করেছিল, তাদের লক্ষ্য ছিলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *